আপনার জন্য মোহাম্মদপুর কতটা উপযোগী ?

বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ

আপনার জন্য মোহাম্মদপুর কতটা উপযোগী?

বিশ্বের অনেক দেশ শুধু প্রশাসনিক কাজের জন্য রাজধানীকে বেছে নিলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বিষয়টি মোটেও তেমন নয়। সরকারি কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সবকিছুই যেন রাজধানী ঢাকা কেন্দ্রিক। এজন্য ঢাকা হয়ে উঠেছে বিশ্বের অন্যতম জনবহুল নগর। ১০৪ বর্গমাইল এলাকা নিয়ে ঢাকার অবস্থান, এখানে ২ কোটির বেশি মানুষ বসবাস করে এবং প্রতিদিন সংখ্যাটি বাড়ছে। জনসংখ্যার ঘনত্ব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নাগরিক সুবিধাসংশ্লিষ্ট চাহিদাও বাড়ছে।

তবে বসবাসের জন্য আদর্শ জায়গা হতে হলে ভাল মানের বাসা, মানসসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, বিনোদনমূলক জায়গার উপস্থিতি, সুন্দর প্রতিবেশ খুবই জরুরি।

মোহাম্মদপুর ঢাকা শহরের একটি থানা। শুরুতে মোহাম্মদপুর একটি আবাসিক এলাকা হিসাবে গড়ে উঠলেও বর্তমানে এর বাণিজ্যিক গুরুত্বও দিন দিন বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে মোহাম্মদপুরের জনসংখ্যা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। দ্রুত নগরায়নের ফলে মোহাম্মদপুর একটি ছোট শহরের রূপ নিয়েছে এবং এর প্রাকৃতিক জলাশয়, বিল প্রভৃতি হারিয়ে যেতে বসেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে মোহাম্মদপুর থানার কিছু এলাকা নিয়ে আদাবর থানা নামে একটি নতুন থানা গঠন করা হয়েছে।

এই এলাকায় প্রচুর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে। কিছু উল্লেখযোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলঃ

সেন্ট জোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি

সরকারী গ্রাফিক আর্টস ইন্সটিটিউট

সরকারী শারীরিক শিক্ষা কলেজ

ধানমন্ডি পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ

ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ

মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজ

মোহাম্মদপুর বাস স্ট্যান্ড পুরো মোহাম্মদপুর, লালমাটিয়া এবং ধানমন্ডি এলাকার জনসাধারণের জন্য গণপরিবহন ব্যবস্থার একটা কেন্দ্র। এখান থেকে উত্তরে মিরপুর, পূর্বে গুলশান-বাড্ডা এবং দক্ষিণ পূর্বে মতিঝিল সহ বিভিন্ন রুটের বাস চলাচল করে থাকে।

জেনেভা ক্যাম্প হল বাংলাদেশে বসবাসকারী উর্দুভাষী বিহারীদের বাসস্থান। জেনেভা ক্যাম্প বেশ ঘনবসতিপূর্ণ। জেনেভা ক্যাম্পের বাসিন্দারা সাধারণত উর্দু-বাংলা-হিন্দি মিশ্রিত ভাষায় কথা বলে। একটি অনেক বড় এলাকা নিয়ে গড়ে ওঠা একটি জায়গা যেখানে প্রচুর বৈচিত্র্য খুঁজে পাওয়া যাবে।

৬৯ এর গণ অভ্যুত্থানের সাক্ষী আসাদগেট আজও আমাদের চেতনায় উজ্জ্বল।

সাত গম্বুজ মসজিদ খ্রিষ্টাব্দ ষোল শতকে মোঘল শাসন আমলে গড়ে উঠে।

মসজিদ সংলগ্ন রাস্তাটি ধানমন্ডি পর্যন্ত ‘সাত মসজিদ রোড’ বলা হয়।

মোহাম্মদপুরের উত্তর ও দক্ষিণে আছে লালমাটিয়া, ধানমন্ডি, শ্যামলী এবং আদাবর, আর পূর্ব দিকে রয়েছে শের-ই-বাংলা নগর। সবগুলি এলাকাই ঢাকার প্রধানতম লোকেশন এবং এই এলাকাগুলোতে জাতীয় সংসদে ভবনের পাশাপাশি কয়েকশ অফিস এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়া মিরপুর ও ফার্মগেটও বেশ নিকটবর্তী এবং খুব সহজেই পৌঁছানো সম্ভব মাত্র আধঘন্টার মধ্যেই। আছে সদরঘাট-গাবতলী বাইপাস সড়ক, যার মাধ্যমে মোহাম্মদপুরের বাসিন্দারা প্রয়োজনে দ্রুত পুরান ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে উভয় স্থানেই ভ্রমণ করতে পারেন।

মোস্তাকিমের চাপ, বোবার বিরিয়ানি এবং এরকম আরও কয়েক ডজন কাবাব ও বিরিয়ানি দোকানগুলি মোহাম্মদপুর এলাকাকে করে তোলে ভোজনরসিকদের স্বর্গ।টোকিও স্কয়ার শপিং মল,

প্রতিদিনের চাহিদা এবং পাইকারী বা খুচরা কেনাকাটার জন্য মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট সকলের কাছে প্রিয় গন্তব্য। এ বাজারে প্রতিদিনের তাজা পণ্য এবং সব ধরণের মাংস বিক্রি হয়।

সমাজ এবং পরিবার যেভাবে বদলেছে, আবাসন খাত সেভাবে বদলায়নি।

“প্রতিদিন প্রচুর মানুষ ফ্ল্যাট কেনার জন্য খোঁজখবর করছেন, কিন্তু তাদের অধিকাংশই তাদের চাহিদামত কিছু পাচ্ছেন না।”

তিনি বলেন – মধ্যবিত্তের আয় বাড়ছে এবং বৃহত্তর যৌথ পরিবারের সাথে এখন ছেলেমেয়েরা থাকতে চাইছে না।

“তারা খুব দূরে হয়তো যেতে চায়না, কিন্তু অন্য জায়গায় নিজেদের মত করে থাকতে চায়। সেই ক্ষমতাও তাদের হয়েছে। কিন্তু চাহিদা মত জায়গা পাচ্ছেনা।”

আপনার সাধ আর সাধ্য অনুযায়ী সপরিবারে থাকতে মোহাম্মদপুর। এটি হতে পারে আপনার পরবর্তী নিবাস। এখানে আপনি আপনার গণ্ডির মধ্যে স্কুল-কলেজ, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, হাসপাতাল সবই পাবেন হাতের নাগালে। বর্তমান এই মহামারী পরিস্থিতির ভিতরে আপনি যদি এই বাসা খোঁজার ঝামেলা থেকে নির্ঝঞ্ঝাট থাকতে চান আবাসন হতে পারে আপনার জাদুর কাঠি। এখানে আপনি কমার্শিয়াল, ব্যাচেলর বাসা, হোস্টেল, প্রেসিডেনশিয়াল সব ধরনের অ্যাপার্টমেন্টের সন্ধান পাবেন। মুহূর্তেই খুঁজে নিন আপনার পছন্দের ঠিকানা।

মোহাম্মদপুরে আপনাকে স্বাগতম!

Join The Discussion

Compare listings

Compare
বিজ্ঞাপন দিন